Tuesday, January 16, 2018

Modification channel strategy

Existing distribution channel গুলোর evaluation এবং ক্রাইটেরিয়া রিভিউ করার মাধ্যমে চ্যানেল মোডিফিকেশন strategy সূচনা করা হয়। existing চ্যানেলগুলো প্রতিনিয়ত evaluate করা হয় যাতে দরকারি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করা যায়। পরিবেশগত কারণে হোক অথবা কম্পানির ভেতরের ও বাইরের কোনো কারণেই হোক existing channel মডিফাই করা লাগতেই পারে। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে হয়তো কাস্টমারের এমন সাহায্য দরকার যা সরাসরি manufacture এর পক্ষে প্রদান করা সম্ভব নয় সেক্ষেত্রে ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল পরিবর্তন করা লাগতে পারে। নিম্মোক্ত কিছু কারণে সাধারণত distribution channel মডিফাই করা হয়।
১। consumer market এবং কনজ্যুমার buying habit পরিবর্তনের কারণে।
২। সার্ভিস, parts অথবা নতুন প্রযুক্তিগত সাহায্যের প্রয়োজনীয়তার আবির্ভাবের কারণে।
৩। competitors' perspective পরিবর্তন হওয়ার কারণে।
৪। আউটলেটের ধরনের relative importance পরিবর্তনের কারণে।
৫। manufacturer এর এর অর্থনৈতিক সামর্থ্য পরিবর্তনের কারণে।
৬। existing product এর sales volume level পরিবর্তনের কারণে।
৭। product, price অথবা promotion strategy পরিবর্তনের কারণে।

সাধারণভাবে বলতে গেলে কোম্পানি যখন মার্কেটে প্রবেশ করে তখন distribution শুরু করে intermediary এর মাধ্যমে। কারণ প্রাথমিকভাবে technical and manufacturing সমস্যাগুলো এতই বড় হয় যা ম্যানেজমেন্টকে ব্যস্ত রাখে। তাছাড়া শুরুতেই একটা কোম্পানির মার্কেটের বড় অংশের সকল সমস্যা সফলভাবে সমাধান করার ক্ষমতা থাকেনা। তাই মধ্যস্থতাকারীদের ব্যবহার করা হয় যারা তাদের অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে কোম্পানির পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। কিন্তু যখন একটা company প্রতিষ্ঠিত হয় তখন distribution channel মডিফাই করার ব্যাপার সামনে আসে। তখন কোম্পানি বিভিন্ন দিক দিয়ে existing চ্যানেলগুলো evaluate করে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে।

Wednesday, January 18, 2017

সূরা নাহল (মোট আয়াত ১২৮, রুকু ১৬)

Diary Page. 50 (16/06/2016)

১। আল্লাহ্‌র আদেশ আসলে তোমরা তাড়াহুড়া করবে না।
৪। তিনি শুক্রকীট হতে মানুষ সৃষ্টি করলেন অথচ তারা স্পষ্ট ঝগড়াটে।
৫। পশু সৃষ্টি, শীত নিবারক, উপকার ও খাদ্যের জন্য। 
৭। এরা বোঝা বহন করে শহরে নিয়ে যায়, যা (মানুষের জন্য) কষ্টকর।
৮। অশ্ব, খচ্চর ও গাধা, আরোহণ ও শোভার জন্য।
১০। আল্লাহ বৃষ্টি বর্ষান, তাতে আছে পানীয়, গাছ উৎপন্ন, পশু চরে...
১১। উৎপন্ন করেন শস্য, জাইতুন, খেজুর, আঙ্গুর, ++

Friday, August 5, 2016

বাতাস যেদিক থেকেই আসুক এই
শার্টের আচরণ এমনই। সে যদি বাতাস
ধরে রাখতে পারে, তো রাখুক।
গরমে এর থেকে ভালো আর কি হতে
পারে..!
,
যাই হোক, আল বেরুনী হলের বাম
পাশের পুকুর থেকে মাছ ধরা
দেখছিলাম। একটা হাড়ি বা বালতি
নিয়ে কাদায় নেমে এভাবে মাছ
ধরার মজাই আলাদা। দাদুবাড়ি বা
ছোট ফুফুর বাড়ি গেলে এই সুযোগ
পেতাম। জীবনে ৪-৫ বার আমিও
ওভাবে হাটু কাদায় নেমে মাছ
ধরেছি। সর্বশেষ ৮-৯ বছর আগে। তবে
পোলো দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ
কোনদিনই পাইনি।


কুকুর পোষার সিস্টেম

বুখারি শরীফের বর্গাচাষ অধ্যায়ের এই হাদিসটা সম্পর্কে আগে কিছুই জানতাম না। কুকুর পোষার সিস্টেম। কিন্তু প্রতিদিন এক কিরাত! সেতো অনেক!

২১৭১। মু’আয ইবনু ফাযালা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যাক্তি শস্য খেতের পাহারা কিংবা হিফাযতের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, প্রতিদিন তার নেক আমল থেকে এক কীরাত পরিমান কমতে থাকবে। ইবনু সীরীন ও আবূ সালিহ্‌ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। বকরী অথবা ক্ষেতের হিফাযত কিংবা শিকারের উদ্দেশ্য ছাড়া। আবূ হাযিম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, শিকার ও পশুর হিফাযত করার কুকুর।

২১৭২ নাম্বার হাদিসটাও এই সম্পর্কিত।
ইনফুঃ যে ব্যক্তি যানাজা পড়ে ও দাফন পর্যন্ত অপেক্ষা করে সে দুই কিরাত সমপরিমান সওয়াব পায়। এক কিরাত ওহুদ পাহাড়ের সমান।

ছাড়পোকা

একটু দেরি হয়ে গেল। অনেকে চলে গিয়েছে। তবুও বলছি...
,
ছাড়পোকা আমাদের অনাকাঙ্খিত অতিথি। আমরা ছাড়পোকাকে অনেক ভয় পাই। জীবের খাদ্য তালিকায় যত খাদ্য আছে তার মধ্যে অন্যতম দামি খাবার এরা খায়। আমাদের রক্ত। :'( তাও আবার আমাদের বেডে শুয়েই। :'(
,
তাই বলছি যে, কই আছে আর কই নেই, তা না দেখে, এই বিশাল ছুটিতে যারাই তাদের সঙ্গ ত্যাগ করছেন, চিরদিনের জন্য করুন। হল ছাড়ার আগে নিজের বেড রোদে দিয়ে পারেন, পরিষ্কার করে পারেন বা আয়রন করে পারেন, অন্তত এটা নিশ্চিত করুন যেন এসে দেখেন তারা আর নেই বা জীবিত নেই।। ইন্না...
,
আমার বিশ্বাস, বেড কিছুদিন ফাকা থাকলে খাদ্যের অভাবে তারা ইন্তেকাল করবে অথবা বেড, রুম, ও পরবর্তিতে হলও ত্যাগ করবে। তবে ট্রান্সপোর্পের দিকে গেলে আমি কিছু জানি না।

সূরা হিজর

অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা সূরা। প্রচুর তথ্য আছে এখানে। সেই সাথে উপদেশ আর হুমকি। মোট আয়াত ৯৯। আমি অনুরোধ করবো আপনাদেরও পড়ার জন্য। বাংলা পড়ুন, জানুন। এটাই পৃথিবীর ইতিহাস, আসমানি সিদ্ধান্ত। পড়লে আরো জানতে পারবেন মানুষ ও জ্বীন সৃষ্টি, তিনটি জাতি ধ্বংসের কাহিনী, শয়তান ও আল্লাহর কথোপকথন।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াতঃ
,
৯। নিশ্চই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি, আমি নিজেই এর সংরক্ষণ করবো।
১৮। যখন কোন শয়তান আকাশে আড়ি পাতে তখন উজ্জ্বল অগ্নি শিখা তাকে ধাওয়া করে। (এতদিন জানতাম ওগুলো জ্বীন দৌড়াচ্ছে) :-D
,
২১। আমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার আছে। তা হতে নির্দিষ্ট পরিমানে সরবরাহ করি।
২৬। মানুষকে পঁচা কাদা থেকে তৈরী করেছি।
২৭। জ্বীন সৃষ্টি করেছি অতি উত্তপ্ত বায়ুর আগুন থেকে।
২৮-৩০। আল্লাহ ও ফেরেশতাদের কথোপকথন, মানুষ সৃষ্টি নিয়ে, সিজদার আদেশ।
৩১। ইবলীস অস্বীকার করলো
৩২। আল্লাহ বললো, Why....??
৩৩। ইবলীসের উত্তর...পঁচা কাদা হতে....
৩৪। আল্লাহ বললেন, বের হয়ে যাও, তুমি অভিশপ্ত।
৩৯। শয়তানের শপথ, সবাইকে পথভ্রষ্ট করবে
৪০। খাটি বান্দা ছাড়া
,
৫১-৬০। ইব্রহীম আঃ কে সন্তান প্রদান প্রসঙ্গে, জাতির পিতার ও ফেরেশতাদের কথোপকথন।
,
৬১-৭৬। সমকামিকার কারণে লুত আঃ এর এলাকাবাসীদের ধ্বংস করতে ফেরেশতাদের আগমন প্রসঙ্গ।
৭৪। সেই জনপদকে উল্টে দিলাম ও পাথর বর্ষন করলাম।
,
৭৮। আইকাবাসী জালিম ছিল, প্রতশোধ নিয়েছি।
৮০-৮৩। হিজরবাসীও রাসূলদের মিথ্যা বলেছি, তারা পাহাড় কেটে ঘর বানাতো। তাদেরও নিশ্চিহ্ন করেছি। ভোরে মহানাদ তাদের পাকড়াও করেছিলো।
,
৮৭। আমি আপনাকে সাত আয়াত ও কোরআন দিয়েছি।
৯৪। যা আদিষ্ট হয়েছেন তা প্রকাশ্যে প্রচার করুন।
৯৯। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রবের ইবাদত করুন।
একটা তাফসীর থেকে বিস্তারিত পড়ার অনুরোধ রইলো। দোয়া করবেন।

‪#‎সূরা_হিজর‬

ইফতারির সময় তিনটা দোয়া

ইফতারির সময় তিনটা দোয়া কবুল করা হয় জানি। হাদিস কোরআন ঘেটে দেখা হয় নি। আছে হয়তো কোথাও। কিন্তু মানি।

প্রতিদিন ৩ করে ৩০ দিনে ৯০ টি দোয়া কবুল করার কথা। তাই যদি হয় তো খুবই ভালো। কিন্তু মনে না পড়ার কারনেই হোক বা ব্যস্ততার কারনেই হোক, প্রতিদিনই প্রায় একই দোয়া করা হচ্ছে। আল্লাহ যদি কথা দিয়ে থাকেন তো একবার বললেই হবে।

তাই ভাবছি একটা লিষ্ট করবো। তাতে ৯০ টা চাওয়া লেখা থাকবে। ইফতারির সময় প্রতিদিন তিনটি করে বললেই হবে। পহেলা রোজা থেকেই করা উচিত ছিল।
নিজেই তো চাইতে বলেছেন। আর চাওয়ার জায়গাওতো ওই একটাই।

বনী ইসরাঈল

Got one of the most important ayats of the Holy Quran

 

১৩.) প্রত্যেক মানুষের ভাল-মন্দ কাজের নিদর্শন আমি তার গলায় ঝুলিয়ে রেখেছি১৪ এবং কিয়ামতের দিন তার জন্য বের করবো একটি লিখন, যাকে সে খোলা কিতাবের আকারে পাবে।
১৪.) পড়ো, নিজের আমলনামা, আজ নিজের হিসেব করার জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট।

সূরা বনী ইসরাঈল।
আপনি চাইলেই পারেন সূরার নাম আর আয়াত নাম্বারটা মুখস্ত করে রাখতে।

সূরা কাহফ, মোট আয়াত ১১০,

১-৮ আয়াতে যথাক্রমে, কোরআন, মু'মিন, কাফের, কাফেরদের আচরণে মহানবীর মানষিক অবস্থা ও প্রথিবী সম্পর্কে বলা হয়েছে।
,
৯-২৬ আসহাবে কাহফের ঘটনার বিস্তারিত বর্ননা।
,
২৭-৩১ কয়েকটা আদেশ, অমান্যকারীদের জন্য জাহান্নাম ও বর্ননা, মান্যকারীদের জন্য জান্নাত ও তার বর্ননা।
,
৩২-৪৪ দুই ব্যক্তির উদাহারন, একজন অকৃতজ্ঞ ধনী, অন্যজন কৃতজ্ঞ গরীব, ও তাদের পরিনতি।
,
৪৫-৫৯ দুনিয়ার জীবনের তাৎপর্য, কেয়ামতের দিনের কর্মকান্ড, আদমকে সিজদা প্রসঙ্গ, ইবলীস, কাফেরদের আচরণ ও শাস্তি প্রসঙ্গ।
,
৬০-৮২ হযরত মূসা ও খিযির (আঃ) এর সেই কাহিনী। ভাজা মাছ নদীর মধ্যে দৌড়, নৌকা ছিদ্র করণ, বালক হত্যা ও দেওয়াল মেরামত প্রসঙ্গ।
,
৮৩-১০০ জুলকারনাইন ও ইয়াজুজ-মাজুজের-৯৪, বিস্তারিত ঘটনা, প্রাচীর নির্মান।
,
১০১-১০৬ জাহান্নামীদের পরিচয়
১০৭-১০৮ জান্নাতীদের পরিচয়
১০৯ বিখ্যাত আয়াত। সমুদ্র+আরো সমপরিমান সমুদ্র কালি করে আল্লাহর কথা লেখা হলেও কালি শেষ হবে কিন্তু আল্লাহর গুনাবলী শেষ হবে না।
,
১১০ সৎকাজ কর, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করো না।

ঈদের জন্য দামি পোশাক

ঈদের জন্য দামি পোশাক কেনার সময় একটু সতর্ক থাকবেন।
,
"অপব্যয়কারী শয়তানের ভাই" জানতাম। কিন্তু এটা হাদিস না কোরআনের আয়াত জানতাম না। ক'দিন আগে দেখলাম সূরা বনী ইসরাঈলের ২৬ নাম্বার আয়াতে সরাসরি আদেশ করাঃ
,
"নিকট আত্নীয়কে তার হক দাও,
মিসকিন ও পথিকদেরকেও তাদের হক দাও,
অপব্যয় থেকে বিরত থাকো"
,
২৭ নাম্বার আয়াতে লেখাঃ
"নিশ্চই অপব্যয়কারী শয়তানের ভাই.....শয়তান অকৃতজ্ঞ।"
,
তাই এ ব্যাপারে সাবধান। আর চাইলেই আয়াত নাম্বার মুখস্ত করে রাখতে পারেন। সারাজীবনের সম্পদ।

স্বপ্ন তো খুবই বিপদজনক

ঘুমালেই স্বপ্ন দেখি, হোক সে রাতে বা দিনে। দিক বিদিকের স্বপ্ন। স্বপ্নগুলোর ব্যাখ্যা জানার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলাম। পিসি হাতড়ে তিনটা পিডিএফ পেলাম। এর মধ্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা বাদ। বাকি দুইটা আসল জিনিস।
আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রঃ) র বইটা আমার আশা পূরন করবে সে আশাই করছি। ১৫০+ পৃষ্ঠা এই বইয়ের। তবে তার আগে আরেকটা বইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আপাততো এতটুকু মনে রাখা দরকার।
,
১। ভুলেও কোনদিন এমন স্বপ্নের কথা বলবেন না যা আপনি দেখেননি। সিরিয়াস।
২। ভালো স্বপ্ন দেখলে ভালো মানুষদের কাছে বলবেন। শত্রু বা খারাপ মানুষের কাছে বলবেন না।
৩। খারাপ স্বপ্ন দেখলে শুধুমাত্র যারা শুভাকাঙ্খী ও কোরআন হাদিসের জ্ঞান রাখে তাদের কাছে বলবেন। নইলে বিপদ। বড় বিপদ।

৩০ নাম্বার রোজা

রোজা ২৯ টা হতে পারে বা হবে কিনা, এটা নিয়ে সমাজে আলোচনা ও প্রশ্ন শুনতে শুনতে এখন মনে হচ্ছে ৩০ নাম্বার রোজাটাই বোনাস হিসাবে পেয়েছি।
তবে যাই হোক, এই পবিত্র মাস যতক্ষন থাকবে ততোক্ষনই ভালো।

সাতক্ষীরা

একদিনে পুরা সাতক্ষীরা। ;-) কাল যাবো পিরোজপুর। :-)
 
মিল্কি আইসক্রিম কোম্পানির গাড়িতে করে যাচ্ছি সাতক্ষীরা ভ্রমণে। আমার কাজ প্রকৃতি দেখা আর এলাকা চেনা। বাংলাদেশ অনেক সুন্দর। এদিকে প্রচুর ফাকা যায়গা। কিছুদূর পরপর কলকারখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কিছু জায়গার নাম মনে রাখা দরকার।
 
শুরু খুলনা থেকে...
নতুন রাস্তা
হযরত খানজাহান আলি সিটি
রায়ের মহল
টুটুল নগর
উত্তরণ সৃতিসৌধে
জিরোপয়েন্ট
খুলনা পল্লী বিদ্যুত
প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
গুটিদিয়া, ডুমুরিয়া
চুকনগর
পাটকেলঘাটা

সাতক্ষীরা....কদমতলা বাজার, কলারোয়া উপজেলা, কাজিরহাট, খোর্দ্দহাট, ত্রিমোহনী, কেশরপুর, ব্রজবাক্সা, মাধবকাটি, ভাড়ুখালি, মাহমুদপুর, আলিপুর বাজার, ভোমড়া রোড
ইন্ডিয়া বাংলাদেশ বর্ডার
সুলতানপুর বাজার.... আরো অনেক....




পিরোজপুর ভ্রমণ

বলা যায় এটা একটা লং ড্রাইভ। আজ ঘুরলাম পুরো পিরোজপুর। হ্যা, প্রায় পুরোটাই। অলিগলি সহ প্রায় প্রতিটা গ্রাম।
এই এলাকা অনেক বেশি সুন্দর। না দেখলে বোঝা যাবে না। মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। এদিকের মেয়েগুলো অনেক বেশি সুন্দর। আল্লাহ যেন এদের রুপ ঢেলে দিয়েছে। তেমনই সুন্দর গ্রামগুলো। রোডের দু পাশেই আগামাথা লম্বা খাল। তার ওপাশেই বাড়িগুলো। কোন বাড়িতে যেতে হলেই সাকো বা ব্রীজ। যাদের অনেক টাকা আছে ব্রীজ বানিয়েছে, যাদের কম তারা সাকো বানিয়ে পার হয়। আর সরকারি লোকের বাড়ি যেতে হলে হয়তো ...কনক্রিটের তারে খাম্বার সাকো পার হতে হয়। :-P
এসি গাড়ি, ভিতরে আড্ডবাজি আর বাইরে বৃষ্টি। কিছুক্ষন পরপর নামি, খাই, আর এলাকা দেখি। ওই এলাকার লোকেদের মনে হয় ওসুখ কম হয়। এতো সুন্দর বাতাস আর এমন পরিবেশ, বুক ভরে শ্বাস নিলেই তো পরান ঠান্ডা হয়ে যায়।
চিকনা চিকনা সুপারি গাছ এতো লম্বা ক্যামনে হয়? আবার মানুষ নাকি ওর মাথায় ওঠে, কাত হয়ে পড়েও না। রাস্তার দুপাশের অন্য গাছগুলো একেবারে রাস্তা ঢেকে রেখেছে। যাই হোক, বর্ননা লিখলে সহজে শেষ হবে না।
এক কথায় সুবহানাল্লাহ। এদিকে আবার আসবো ইনশাআল্লাহ।


ছবিতে একটা টোপলা আছে। ওর ভিতর ২৫ টা ১ টাকার কয়েন। টোপলা বানিয়ে লেনদেন হয় ওদিকে। আরো কয়েকা টোপলা দেখলাম। তাতে ৫ টাকার ১০০ টা কয়েন। মানে ৫০০ টাকার থলে। আগের স্টাইল। ৫০০ টাকার নোট না দিয়ে ওর ১ টোপলা ধরিয়ে দেয়। সবকিছুতেই মজা।
কিছু যায়গার নাম সিরিয়ালি লিখে রাখলাম। পরে কাজে লাগবে। আমরা ছিলাম তিন জন।
নতুনরাস্তা, খুলনা থেকে যাত্রা শুরু।

রুপসা ব্রীজ পার হয়ে ডানে, বায়ে, অতপর বাগেরহাট সী ফুড এবং আরো সামনে
বাগেরহাট...সেখানে...
ষাট গম্বুজ মসজীদ, খানজাহান আলী মাজার, বাগেরহাট ডিগ্রী কলেজ, আদালত, বাগেরহাট জেলা কারাগার, বৈটপুর মমিন উদ্দিন প্রাঃ বিদ্যালয়...

পিরোজপুর এখনো ১৮ কিমি
বরিশাল এখন থেকে ৮৫কিমি


পিরোজপুরের কিছু এলাকা...
ফতেরপুর, সাইনবোর্ড বাজার, কচুয়া, বাধল বাজার, মহেশপুর, তেজকাঠি, চলিশা বাজার, চুঙ্গাপাশা বাজার, শ্রীরামকাঠি, নাজিরহাট, কালিবাড়ি
কবিরাজবাড়ি, হযরত শাহজালাল হোটেল, উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, রাজারহাট....


আরো অনেক এলাকা। একটারওতো নাম জানতাম না। সাইনবোর্ডে যে কটা চোখে পড়লো আর যা মনে আছে...
নিরাপদেই পৌছলাম বাসায়। ট্যাংক রোড, খুলনা। আলহামদুলিল্লাহ।।
আরো ধন্যবাদ, ভাইকে, ভাইকে আর কোম্পানির গাড়িকে। :-)





End of 7th semester

End of 7th semester


আর বাকি আছে মাত্র ১ টা সেমিস্টার। এখনো ভাইভা জয় করতে পারলাম না। খুবই আফসোস।
শুধু এটুকু বলি যে টিচারদের শ্রম বৃথা যায়নি।যা শিখেছি অনেক। এখন হয়তো জোর দিয়ে কিছু বলতে পারছি না। তবে শীঘ্রই তারা আমাদের মুখে হাসি দেখতে পাবে আসা করছি।
Done 7th semester
#Marketing
#JU


Friday, December 18, 2015

লটারি। একদিনে তিনটা পুরস্কার।

জীবনে বহুত টিকিট কেটেছিলাম। কিন্তু কোনদিন কিছু পাই নাই। বহুত বললে ভুলই হবে। বাধ্যতা মূলক ভাবে যা কিনেছি আরকি।
সে যাই হোক। 

এবার ক্যারিয়ার ক্লাবের একজন সৌভাগ্যবান সদস্য হিসাবে গিয়েছিলাম গাজিপুর সাফারি পার্কের পিকনিকে। বাসে যাবার সময় কোষাধ্যক্ষ মেহেদি ভাই কোষ বৃদ্ধি করার জন্য সবার কাছে লটারির টিকিট বিক্রি করছে বড় পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে। প্রতি টিকিট ১০ টাকা। তাও আবার কমপক্ষে ২ টা কেনা বাধ্যতামূলক।

কি আর করা। বাধ্য হয়েই ২টা কিনলাম। মনে হচ্ছিলো না কেনাটাই বুঝি সার্থকতা। আমার নাম্বার গুলো ১০৬ আর ১০৭। নিয়ে পকেটে রেখে দিলাম। জানি আগের মতোই কপালে কিছু নাই। তাই আগ্রহ কম।

সারাদিন ভরপুর ঘুরে মজামাস্তি করে শেষ বিকেলে ফেরার জন্য বাসে উঠলাম। বাস ছাড়ার কিছুক্ষন পর লটারির ড্র। শেষ দিকের প্রথম ৬ জনকে ৬ টা চকলেট সান্ত্বনা পুরস্কার দেওয়া হলো। এরপর ১২ থেকে শুরু করে ১ পর্যন্ত ডাকা হলো। ৫ নাম্বারে যে কুপন টা উঠালো সেটা ১০৬ নাম্বার। তার মানে আমার। জীবনে এই প্রথম কোন পিকনিকের লটারিতে কিছু পেলাম। পুরস্কার টা ছিলো একটা বডি স্প্রে। টোকেন উঠানোর আগে পুরস্কারের নাম সহ উপকারিতা বর্ননা করা হলো। সেই সাথে এও ঘোষনা করা হলো যে, যার ভাগ্যে এই পুরস্কার আছে, তারই বুঝি এটা সবচেয়ে বেশি দরকার। 
আমার ভাগ্যেই পড়লো। আলহামদুলিল্লাহ। অবশ্যই দরকার ছিলো। মিলেও গেল। grin emoticon

৪ নাম্বার লটারির পুরস্কার কে যেন পেল। মনে নেই। ৩ নাম্বার পুরস্কার একটা সুন্দর প্যাড। এবারো ঘোষনা করা হলো যে বেশি লেখালেখি করে তার ভাগ্যেই এটা আছে। উঠলো ১০৭। এটাও আমার। অন্যদের চেয়ে বেশি আশ্চর্য আমি। কারন আমি এখন একসাথে এরকম দুটো পুরস্কারের মালিক। ক্যামনে কি। ওয়াও। লুল। লুল ইন মাইন্ড ফুল অন ফেস। grin emoticon

আসলে এটাও আমার দরকার ছিলো। grin emoticon লেখি তো আর কম না। unsure emoticon
এই সময় মনে হচ্ছিলো শালার তখন কেন যে আরো কয়েটা টিকিট কিনলাম না। দুইটা কিনছিলাম দুইটাই পাইছি। ভাগ্যের প্রতি বিশ্বাস আমার বেড়ে গেছে। এরপর যতোগুলো পুরস্কার ততোগুলোই কিনবো। confused emoticon (অসম্ভব)

এতে গেল টাকা দিয়ে কেনা লটারির কাহিনী। ফ্রী লটারিতে কিছু না পেলে 'সুন্দর ভাগ্যের' সন্মান থাকার কথা না।

ফান বক্সে কতো রকমের ঢংয়ের কাহিনী। কাগজে লেখা নির্দেশ যার হাতে যেটা উঠবে তার সেটা পালন করতে হবে। এর মধ্যে আছে গান, ছড়া, প্রশ্ন, মনের কথার বহিপ্রকাশ.....। এদের মধ্যে আবার তিনজন পাবেন পুরস্কার। যাদের হাতে ড্যান্স করার আদেশ সূচক লটারি উঠবে। ২য় টা পেলাম আমি। একটা ডাভ শ্যাম্পু। মিনিপ্যাক। heart emoticon

এখন নাচতে হবে। এদেশের রাস্তায় চলন্ত বাসের ভিতর দাড়িয়ে থাকলে নাচার জন্য কষ্ট করতে হয় না। বাসের সাথে তাল মিলালেই হয়। তারপরেও আমার সাথে যায় না। ছোট ভাইগুলারে বললাম গান ধরতে। সেই সাথে কয়েকটা ঝাকি ঝুকি দিয়ে পার পেলাম। কি সাংঘাতিক রে বাবা.!.!.!.!.
এতগুলো লোকের মাঝে একাই তিনটা পুরস্কার। ভালোই তো। মনে হচ্ছে কপাল খুলে গেছে। আবার মনে হচ্ছে কে যেন বলছে, "এটা হচ্ছে মরার আগে শেষ সুযোগ। ভালো হয়ে যা। দেখলি তো? সৌভাগ্য তোর সাথেই আছে।"
।।
ধন্যবাদ, পেসিডেন্ট মাসুদ রেজা ভাই। ফিনানশিয়াল সেক্রেটারি মেহেদি ভাই। জেনারেল সেক্রেটারি নাইম ভাই।
আরো ধন্যবাদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সকল সদস্যদের।

একটি মাকাল ফল

আমি তখন ডুবে গিয়েছিলাম। অন্ধকারের অনেক গভীরে। আলো থেকে বহু দূরে। ইচ্ছা করলেই আলোতে আসতে পারতাম। কিন্তু তাতে কোন শক্তি ছিলোনা।
.
কোন নির্দিষ্ট দিন নয়, রাত নয়, সময় নয়। 
কোন মাস বা বছর ও তো নয়।
কোথায়, কিভাবে, কেন, কি হয়েছিলো তাও জানা নাই। 
কোন হতাশা বা কোন ভয়। 
না।
তাও নয়।
কোন কিছু হারানোর ভয়। কারো উপর রাগ। মন খারাপ।
কিছুই তো মিলছে না।
কোন অপরাধবোধ, দায়িত্বহীনতা, অকৃতজ্ঞতা বা কোন অসন্মান।
তেমন কিছুও তে নয়।
আবার মনে হয় সব মিলিয়েই কোন কিছু।
কিছু না কিছু।
.
কিসের প্রভাব, কার প্রভাব, ক্যামনে কি।
.
বারবার শুধু ৮-৯ বছর আগের সেই মাকাল ফলের কথা মনে পড়ে। দাদুবাড়ি বেড়াতে গেলে একটা ছেলের কাছে দেখেছিলাম। জীবনে ওই একবারই। ছোটবেলায় কোন কবিতায় পড়া সেই মাকাল ফলের প্রতি আমার অতি মাত্রায় আগ্রহ দেখে ছেলেটি আমায় মাকাল ফলটি দিয়ে দেয়। টমেটো সাইজের অত্যন্ত সুন্দর সেই ফলটি আমার হাতে দেবার সময় ছেলেটি বলেছিলো সাবধানে রাখতে। ফেটে গেলে তার অন্তরে থাকা বিশ্রী গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে। যা অসহ্য।
.
বাড়ি ফেরার সময় সুযোগ থাকলে বাসের সাদে উঠিই। সেবারও তাই। বাসের ছাদে বসে আখ খাওয়ার মজা আলাদা। কোন এক বাস স্ট্যান্ডে থামলে ছাদে বসেই আখ কিনতে গিয়ে মাকাল ফলটি হাত থেকে গড়িয়ে পড়ে যায়। ততক্ষনে বাস চলতে শুরু করে। 
তার পর থেকে আর কখনই মাকাল ফল দেখিনি।
.
কিন্তু কিছু মানুষের মাঝে মাকাল ফলের স্বরুপ দেখতে পাই। যারা আশেপাশেই থাকে। 
সব সময়। 
সবখানে।
সব অবস্থায়।
অন্যকেও প্রভাবিত করে।
.
দূর্ভাগ্য যে আয়নাতেও একটা জলজ্যান্ত মাকাল ফল দেখা যায়। দেখার মতো করে দেখলেই দেখা যায়। অবিকল মানুষের মতো দেখতে বড় একটা মাকাল ফল।।
.
আয়নায় মাকাল ফল দেখলে একা থাকতে হয়। নিজেকে গুটিয়ে নিতে হয়। সবার থেকে দূরে সরে থাকতে হয়। না জানি কখন ফেটে যায়।।

Friday, July 17, 2015

সমকামিতা সম্পর্কে যা না জানালেই নয়


আমি যা জানি... 


একটা ছোট ঘটনা, একটা অবাধ্য জাতি, শেষ পরিণতি...!!!

আজকে যারা এই ন্যাক্কারজনক বিষয়টি নিয়ে লাফালাফি করছে, আগ্রহ প্রকাশ করছে তারাই প্রথম নয়। এর আগেও পৃথিবীতে এমন সম্প্রদায় ছিল। তারা চেয়েছিল আল্লাহ্‌ পুরুষদের জন্য যা নির্দিষ্ট করেছেন তা বাদ দিয়ে যা হারাম করেছেন তা গ্রহন করতে।

অপবিত্র ভাবে নিজেদের চাহিদা পুরন করতে গিয়ে তারা মানব জাতির বিস্তারকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিলো। অনুর্বর জমিতে বীজ বপন করলে যেমন তা অঙ্কুরিত হয়ে জীবনের আলো দেখতে পাবেনা, ঠিক তেমনি মানব জাতিও এভাবে চলতে থাকলে একদিন বংশ বিস্তারের ধারা বন্ধ হয়ে যাবে।

লুত (আঃ) এর জাতির কৃত পাপের মত এমন জঘন্য পাপ পৃথিবীর অন্য কোন জাতি এর আগে করে নি। এটা এমনি এক মানসিক ব্যাধি যা শারীরিক ব্যাধির মতই সংক্রামক।

তাইতো মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা এই জঘন্য জাতিকে দুনিয়া থেকে সমূলে নিশ্চিহ্ন করে দেন। সূরা হুদের ৭৭ নাম্বার আয়াতে তাদের হুমকি ধামকি ও শেষ পরিণতি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে।

জিব্রাইল ও মীকাঈল (আঃ) সেদিন প্রথমে গিয়েছিলেন হজরত ইব্রাহিম (আঃ) এর বাসায়। সেখানে গিয়ে তাঁর ৯০ বছর বয়সী স্ত্রীকে পুত্র ইসহাক (আঃ) ও নাতি ইয়াকুব (আঃ) এর জন্মের সুসংবাদ প্রদান করেন। তখন ইব্রাহিম (আঃ) এর বয়স ১০০ বছর।

(তাফসিরে ইবনে কাসির, সূরা হুদ, আয়াত ৬৯)

জানার জন্যঃ ইব্রাহিম আঃ এর ২য় স্ত্রীর নাম হাজেরা এবং সন্তানের নাম ইসমাইল আঃ।

ফেরেশতারা আরও বলেন যে, তাদের আগমনের অন্যতম উদ্দেশ্য হল লুত (আঃ) এর জাতিকে তাদের অবাধ্যতার কারনে সমূলে ধ্বংস করা। সে জাতির প্রধান পাপ ছিল সমকামিতা করা। ফেরেশতাদের এ কথা শুনে হজরত ইব্রাহিম (আঃ) এর স্ত্রী সারা (আঃ) হেঁসে দিলেন। হাসবেন নাইবা কেন। ওই জাতি ছিল পৃথিবীর সব থেকে নিকৃষ্ট জাতি। তাদের জন্য এমন শাস্তিই কাম্য।

ইব্রাহিম (আঃ) পড়ে গেলেন চিন্তায়। কারন সে জাতির মধ্যে হজরত লুত (আঃ) তখনো সপরিবারে জীবিত। তাই ফেরেশতাদের কাছে বার বার জিজ্ঞেস করলেন, কোন গ্রামে যদি ৩০০ মুসলমান জীবিত থাকে তাহলে সে গ্রাম ধ্বংস করা হবে কিনা? ফেরেশতারা উত্তর দিলেন, “না।” এভাবে ইব্রাহিম (আঃ) ৪ বার প্রশ্ন করলেন। ৪০ জন থাকলে, ৩০ জন থাকলে, ৫ জন থাকলে, অবশেষে জিজ্ঞেস করলেন যদি গ্রামে ১ জন মুসলমান থাকে তাহলে সে গ্রাম কি ধ্বংস করা হবে?

উত্তরে প্রতিবারই ফেরেশতারা বলেন, “না, কোন গ্রামে যদি ১ জন মুসলমান ও অবশিষ্ট থাকে তবে সে গ্রাম ধ্বংস করা হবে না। তারা আরও বললেন যে ওই গ্রাম থেকে হজরত লুত (আঃ) কে ও মুমিনদের সরিয়ে তারপরে ওই গ্রাম ধ্বংস করা হবে”। এ কথা শুনে হজরত ইব্রাহিম (আঃ) শান্ত হলেন।

ভাতিজা লুত (আঃ) ও মুমিনদের জন্য আল্লাহর বন্ধু ইব্রাহিম (আঃ) এর অন্তর কেঁদে উঠলো। তাইতো তিনি বার বার আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে লাগলো যাতে ওই গ্রামের উপরে যে গজব আসবে তা থেকে রেহাই পাওয়া যায় কিনা।

কিন্তু আল্লাহ্‌ তায়ালা হজরত ইব্রাহিম (আঃ) কে চুপ করিয়ে দিলেন। আল্লাহ্‌ এতটাই রেগে গিয়েছিলেন যে ওই অপবিত্র জাতির ব্যপারে সুপারিশ করা থেকে ইব্রাহিম (আঃ) কে বিরত থাকতে বললেন। তাদেরকে ও তাদের বংশধরদেরকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে ফেলবেন। আরও বললেন যে, ওদের চরম শাস্তির ব্যপারে আল্লাহর সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয়।

(আল কোরআন, সূরা হুদ, আয়াত ৭৬)

ইব্রাহিম (আঃ) এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দুপুর বেলায় ফেরেশতারা নাহরে সুদুমে পৌছায়। সেখানে লুত (আঃ) এর কন্যা পানি নিতে আসলে তাদের সাথে দেখা হয়। তখন ফেরেশতারা বললেন, এখানে আমরা কোথায় অবস্থান করতে পারি? তিনি উত্তরে বললেন যে, আপনারা এখানে থাকুন আমি এসে উত্তর দিচ্ছি। তিনি এই ভয়ে ভীত হলেন যে এই কওমের লোকেরা এমন সুন্দর পুরুষদের দেখলে তাদের অপদস্থ করবেই। তিনি তাঁর পিতা হজরত লুত (আঃ) কে গিয়ে বললেন যে, “শহরের দরজায় কিছু যুবকদের দেখে আসলাম। যাদের মত সুন্দর লোক আমি জীবনেও দেখিনি। তাদেরকে নিয়ে আসুন নয়তো আপনার কওমের লোকেরা তাদের উপরে জুলুম করবে”।

ওই গ্রামের লোকেরা লুত (আঃ) কে আগে থেকে বলে রেখেছিল শহরে কোন বিদেশী আসলে তাদেরকে আশ্রয় না দিয়ে পাঠিয়ে দিতে। তখন লুত (আঃ) গোপনীয় ভাবে তাদের নিজ বাড়িতে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলেন। এবং ওই যালিম সম্প্রদায়ের কথা ভেবে শঙ্কিত হলেন। কিন্তু কোন এক ভাবে এ খবর প্রকাশ হয়ে পড়ে। অনেকের মতে লুত (আঃ) এর স্ত্রী কওমের লোকদের বলে দেয়। খবর শুনে কওমের লোক ছুটতে ছুটতে চলে আসলো। পুরুষ লোকের সাথে দুষ্কর্ম করা তাদের অভ্যাসে পরিনত হয়ে গিয়েছিলো। তারা এসে মেহমানদেরকে তাদের হাতে তুলে দিতে বললো।


আল্লাহ্‌ বলেন, “তোমরা কি গোটা দুনিয়ার মধ্যে পুরুষদের কাছে যাও? এবং তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে তোমাদের রব তোমাদের জন্য যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা পরিহার করে থাকো? বরং তোমরা তো সীমা-ই অতিক্রম করে গেছো৷”

(সূরা শুয়ারা, আয়াত ১৬৫-১৬৬)

তখন লুত (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদেরকে অনেক উপদেশ দিলেন। তিনি বললেন, “তোমাদের অভ্যাস পরিত্যাগ কর, স্ত্রী লোকদের দ্বারা তোমাদের কাম প্রবৃত্তি পূর্ণ কর”।

সে লোকেরা যখন কোন কথাই শুনল না তখন লুত (আঃ) আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করল।

নিকৃষ্ট লোকগুলো তখন লুত (আঃ) এর দরজায় দাঁড়ানো। ওদিকে লুত (আঃ) এর মন মরা অবস্থা দেখে জিব্রাইল (আঃ) বেরিয়ে এসে নবীকে অভয় দিয়ে বলল, তারা আপনার বা আমাদের কোন ক্ষতিই করতে পারবে না। আমরা আপনার রবের প্রেরিত ফেরেশতা। এবং পরিবার ও মুমিনদের নিয়ে ভোর হবার আগেই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বললেন। যাতে আল্লাহর গজব নবীকে স্পর্শ করতে না পারে। তবে তাঁর স্ত্রী ব্যতীত। কারন সে ছিল ওই লোকদের সাহায্যকারী। এও বলা হল, কেউ যেন চিৎকার শুনে পিছনে ফিরে না তাকায়।

তখন জিব্রাইল (আঃ) তাঁর নিজের রুপ প্রকাশ করলেন ও তাঁর ডানা দ্বারা সামনে থাকা অবাধ্য লোকদের মুখে আঘাত করলেন। সাথে সাথে তারা অন্ধ হয়ে গেল।

“তারপর যখন আমার ফায়সালার সময় এসে গেলো, আমি গোটা জনপদটি উল্‌টে দিলাম এবং তার ওপর পাকা মাটির পাথর অবিরামভাবে বর্ষণ করলাম। যার মধ্য থেকে প্রত্যেকটি পাথর তোমার রবের কাছে চিহ্নিত ছিল৷ আর জালেমদের থেকে এ শাস্তি মোটেই দূরে নয়৷”

(আল কোরআন, সূরা হুদ, আয়াত ৮২-৮৩)


বর্ণিত আছে সেখানে মোট ৪ টা গ্রাম ছিল যার বড়টির নাম ছিল সুদুম। অন্য মতে, সেখানে তিনটি গ্রাম ছিল ও প্রতি গ্রামে ১ লক্ষ করে লোক বাস করত। সমকামিতার কারনে আল্লাহ্‌ ওই পুরো গ্রামগুলিকে উলটিয়ে দেন। জিব্রাইল (আঃ) তাঁর ডান পাশের ডানা দ্বারা ওই জনপদকে মাটি থেকে তুলে নেন। এবং সম্পূর্ণ উল্টিয়ে সজোরে মাটিতেই আঘাত করেন। যার ফলে সেখানে আগে কোন মানুষ বা ঘরবাড়ি ছিল তা মনে হতো না।

আর আল্লাহ্‌ তায়ালা আকাশ থেকে পোড়া মাটির পাথর নিক্ষেপ করেন। যার প্রতিটা পাথরের কোনটা কার উপর পরবে তা নির্ধারণ করা ছিল। সমকামী লোকদের কেউ অন্য এলাকায় গিয়ে থাকলে পাথর সেখানে গিয়ে তার উপর পড়ে মৃত্যু নিশ্চিত করত।

এভাবেই আল্লাহ্‌ তায়ালা পৃথিবীর বুক থেকে এমন বদমাইশদেরকে মুছে ফেলেন। এখন আবার তাদের মতো আরেকদল এই খারাপ কাজে লিপ্ত হচ্ছে। পবিত্র ইসলাম ধর্মে এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আল্লাহ্‌ মুসলমানদেরকে এমন চরম ঘৃণিত কাজ থেকে পবিত্র রাখুক।



আমীন।





সহায়ক তাফসীর গ্রন্থঃ

১। তাফসীর ইবনে কাসির (মোট ১৯ খণ্ড)

২। তাফসীরে ফী জিলালিল কোরআন (মোট ২২ খণ্ড)

৩। তাফহিমুল কোরআন (মোট ১৯ খণ্ড)


ভুলভ্রান্তি প্রকাশ পেলে ও মতামত কমেন্ট করার জন্য অনুরোধ করছি।


Sunday, April 19, 2015

অভিজ্ঞতা

কাল একদিনে অনেক অভিজ্ঞতা হল।

সকালে ছিলাম GP House এ।
GP House Moydaan, Level 2, GP House, Bashundhara, R/A, Dhaka.

Go for knowledge শিরোনামে একটা সেমিনার ছিল। Bangladesh Brand Forum এর পক্ষ থেকে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের Young Business Leader দের নিয়ে আয়জিত। Grameenphone এর পক্ষ থেকে ছিল নেহাল আহমেদ ও তানভির হোসাইন। নিচে তাদের পরিচয় বিস্তারিত আছে।
অস্থির একটা সেমিনার। সেমিনার শেষে বিশাল এক উপলব্ধি নিয়ে ফিরলাম।
এমন একটা সেমিনার পারে ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা পরিবর্তন করে দিতে। সাহায্য করে পরবর্তী দিন গুল নতুন করে সাজাতে। ঠেলতে ঠেলতে সেমিনার পর্যন্ত নিয়ে যাবার জন্য @Mohaimenul Islam @Md Nuruddin Jahed Emon , Mafi ও Belal Hossain ভাই কে কৃতজ্ঞতা সহকারে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং পরবর্তীতে এমন সেমিনারে আমন্ত্রিত হবার আশায় রইলাম।

বক্তাদের নাম ও পরিচিতি নিচে দেওয়া আছে।

সেমিনার শেষ করে গেলাম বসুন্ধারা সিমেন্ট এর হেডকোয়াটার ভিজিট করতে।
Bashundhara Industrial Head Quarters, Plot-3, Block-G (Umme Kulsum Road), Bashundhara R/A, Dhaka - 1229.

সেখানে গিয়ে শিখলামঃ
# কিভাবে নতুন ক্লাইন্ট তৈরি করতে হয়
# নতুন ক্লাইন্টদের সাথে সাধারনত যেসব কথা বলা হয়
# নতুন ক্লাইন্টরা ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট করতে চাইলে কিভাবে নিয়ে যাওয়া হয়
# Comparative Advantage গুলো তুলে ধরে তাদের কিভাবে Permanent Customer এ পরিণত করতে হয়।
# প্রতিটা কোম্পানির কি কি দলিল জমা নিতে হয়
# কতো টাকা পর্যন্ত ক্রেডিট দেওয়া হয়, কিভাবে
# ব্যাংক গ্যারান্টির কাগজ গুলো বুঝে ছবিও তুলে আনলাম।
# অফিসিয়াল যত কাজ কিভাবে করা হয়
# বহুল আলোচিত SAP সফটওয়্যার ব্যবহার করে কিভাবে সারা দেশের Logistics & Customer Demand নিয়ন্ত্রন করতে হয়।
# কিভাবে পণ্য পাঠানো হয়
# সিমেন্ট কতো প্রকার ও কিণাবে তৈরি করা হয়
# OPC & PPC সিমেন্ট সম্পর্কে ধারনা
# পদ্মা সেতু তৈরিতে কোন Construction Company কতো ব্যাগ সিমেন্ট কতো রেটে কিনছে
# আর সবশেষে কি কি ভাবে পেমেন্ট নিতে হয়
# ও কাস্টমার দের সাথে কিভাবে একটা Good & Profitable Relation বজায়ে রাখতে হয়।


আসলেই এটা অনেক বড় একটা অভিজ্ঞতা ছিল। পরবর্তীতে বিস্তারিত আমার ব্লগে লিখবো আর এখানেও সময় পেলে পোস্ট করব। সাধারন জ্ঞানের মত করে হলেও যা সবার জানা উচিত।

তো Bashundhara Industrial Head Quarter ভিজিট শেষে লাল রঙের ২০১৫ সালের সেএএএএএই সুন্দর একটা ডাইরি গিফট পেলাম।

Thanks to @Sk. Rajib Ahmed Tuhin (একমাত্র বড় ভাই)

আমার পরবর্তী টার্গেট হল মোংলা পোর্ট ও বসুন্ধরা সিমেন্ট কারখানা ভিজিট করা। এবং Business Solution এর ব্লগার হিসাবে বিস্তারিত বর্ণনা সহকারে পোস্ট করা।


ক্যাম্পাসে এসে Central Field এ একটা চমৎকার সন্ধ্যা উপহার দেবার জন্য Anika Pinky Jakia Islam Nupur ও Two others কে মহব্বত সহকারে ধন্যবাদ।

 
Honorable Speakers of the seminar:
Mr. Hooi Den Huan
Director, Nanyang Technopreneurship Center
Associate Professor, Nanyang Business School


Mr. Sunil Alagh
Founder and Chairman of SKA Advisors
Former Managing Director & CEO of Britannia Industries Ltd.


Mr. Nehal Ahmed
Director Marketing, Commercial Division,
Grameenphone Ltd.


Mr. Syed Tanvir Husain
Director, Center of Expertise, People & Organization,
Grameenphone Ltd.


Ms. Tabita Zahur Iqbal
Managing Editor
Bangladesh Brand Forum Publication